506342_Wanted 468x60

রবিবার, ১৫ মে, ২০১১

How to create trademark and copyright symbols


How to create trademark and copyright symbols: The following short tutorial explains how to create those neat circled C copyright, circled R registered trademark and TM trademark symbols. These symbols are often considered more visually appealing and generally produce less clutter than standard text.
Creating TM and Copyright symbols in Windows:
Hold down the Alt key and type a 4 number combination on the keyboard numpad.
Alt 0169 = �
Alt 0153 = �
Alt 0174 = �
Creating TM and Copyright symbols using HTML:
HTML symbols can be created using the same number combination but are preceded by &# and end with a semi-colon.
© = �
™ = �
® = �
Creating TM and Copyright symbols with Word:
To create these symbols with Word, simply press a three key combination. Ctrl + Alt + (C,T or R)
Ctrl + Alt + C = �
Ctrl + Alt + T = �
Ctrl + Alt + R = �

Windows logs off automatically while login


We have been receiving mails from several readers that they are not able to login to Windows. As soon as they login, the windows show applying your settings, saving your settings and logs off automatically without logging in. This situation is really very troublesome and gets onto the nerves of a person who needs his computer badly for some important work.
The main reasons behind this problem is a corruption in the registry key which holds the value of the files which are executed while login to windows. This registry key can get either replaced with some incorrect value or it might get corrupt due to some virus / trojan activity. Lets see how to fix this issue.
We need to remotely access the infected computer from another computer on same network. Then we need to correct the registry key for userinit under winlogon.
Lets see the steps one by one:
1. Connect the infected computer to a network which has at least one healthy computer connected. Power on both of the computers.
2. From the healthy computer, Go to Start > Run, type regedit.exe and press enter. This will launch the registry editor.
3. Go to File > Connect Network Registry, by using this infected computer’s name or IP address.
4. Locate this entry
HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion\Winlogon\
5. At this entry there is a key names userinit, double click on the key and set its value to “C:\WINDOWS\System32\userinit.exe,“
Exit the registry editor, restart the infected computer. This is it. This will work for most of the computers.
For those computers which still don’t let you login, you need to run a repair setup on such computers.To run a recovery setup, see this link.

শুক্রবার, ৬ মে, ২০১১

ফাইন্যান্সিয়াল আইটি কেস প্রতিযোগিতার সময় বাড়ল

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির সেবা বা সফটওয়্যার তৈরির প্রতিযোগিতা সিটি ফাইন্যান্সিয়াল আইটি কেস কম্পিটিশনে অংশগ্রহণের সময়সীমা বাড়িয়েছে আয়োজক ডি.নেট ও সিটিব্যাংক এনএ বাংলাদেশ। আগামী ১৫ মের মধ্যে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। বিস্তারিত জানা যাবে http://cficc.dnet.org.bd ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১১

বাংলা কথায় ইন্টারনেট ব্রাউজিং

সম্প্রতি ভারতীয় গবেষকরা ইন্টারনেট ব্রাউজিং আরো সহজ করতে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এই প্রকল্পে মাউস কিবোর্ড ছাড়াই কেবল কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। গবেষকদের মতে, এই প্রকল্পে কণ্ঠস্বর শনাক্তে যে সফটওয়্যারটি তৈরি করা হবে তাতে বাংলাসহ ৪টি ভাষা ব্যবহার করা যাবে। এই পদ্ধতিতে মৌখিকভাবে কম্পিউটারে কমান্ড দিয়েই ইন্টারনেট ব্রাউজ করা যাবে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।http://it-solution-arifur.blogspot.com/2011/04/blog-post.html

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ভারতের সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (সি-ডিএসি) গবেষকরা এই প্রকল্প শুরু করেছেন।  কন্ঠস্বরভিত্তিক এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু এবং বাংলা ভাষায় ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা যাবে।http://it-solution-arifur.blogspot.com/2011/04/blog-post.html

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তিতে কম্পিউটারের সামনে বসে ব্যবহারকারী তার ব্রাউজিং করার বিষয়টি বলবেন। এরপর সফটওয়্যারটি তার সেই কথাকে টেক্সট রূপ দিয়ে ব্রাউজ করবে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে যারা কম্পিউটারে টাইপ করতে পারেন না তাদেরও 
http://it-solution-arifur.blogspot.com/2011/04/blog-post.htmlইন্টারনেট ব্রাউজিং-এর সুবিধা হবে ।

ফেসবুক : নতুন সেটিংসের পয়লা পাঁচ


সম্প্রতি ফেসবুকের সকল প্রাইভেসি সেটিংস আবারো আপডেট করা হয়েছে। জনপ্রিয় এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের আপডেটেড প্রাইভেসিতে যোগ করা হয়েছে বেশকিছু নতুন অপশন। ফেসবুক জানিয়েছে, ব্যক্তিগত তথ্যাদির উপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতেই মূলত নতুন অপশনগুলো যোগ করা হয়। তবে প্রাইভেসি সেটিংস আপগ্রেড করার পর থেকেই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমালোচনার পাত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে ফেসবুক। খবর অনলাইন সংবাদ সংস্থা এমএসএনবিসি’র।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন প্রাইভেসি সেটিংসের ভালো-খারাপ উভয় দিকই রয়েছে। তারা জানিয়েছেন- অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ব্যক্তিগত তথ্য এবং পোস্ট সবার সামনে উন্মুক্ত রাখার জন্য ফেসবুক পরোক্ষভাবে ব্যবহারকারীদের উদ্বুদ্ধই করছে।

আসুন, নতুন পরিস্থিতিতে ফেসবুকের নতুন নিরাপত্তা পদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি দিক জেনে নেয়া যাক।

সার্চ সেটিংস

নতুন সেটিংসে আপনার প্রোফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ও পাবলিক লিস্টিংয়ের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যেতে পারে। অনেকেই বলছেন, বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন ও পাবলিক লিস্টিংয়ে অন্তর্ভূক্ত না হওয়ার অপশন চালু রাখার পরও নতুন প্রাইভেসি সেটিংসের সঙ্গে সঙ্গে তাদের প্রোফাইলও জনসম্মুখে প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে; যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার নীতি বিরুদ্ধ।

তবে আপনি চাইলে সার্চ সেটিংস এর পরিবর্তন করতে পারেন। প্রাইভেসি সেটিংস অপশন থেকে ‘অ্যালাউ ইনডেক্সিং’ চেকবক্স থেকে টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিলেই আপনার প্রোফাইল বাইরের কেউ খুঁজে পাবে না।

প্রাইভেসি সেটিংসে পাসওয়ার্ড বলয়

ফেসবুক জানিয়েছে, নতুন প্রাইভেসি সেটিংসের আওতায় আপনি প্রাইভেসি সংক্রান্ত যে কোনো কিছু আপডেট করার সময় প্রথমে আপনাকে পাসওয়ার্ড দিতে হবে। অর্থাৎ, আপনি লগইন থাকাকালীন অন্য কেউ যাতে আপনার প্রাইভেসি সেটিংস বদলে দিতে না পারেন, সে জন্যই নিরাপত্তার এই বাড়তি স্তর। এতে করে পুনরায় পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করে প্রাইভেসি সেটিংসে কোনো পরিবর্তন আনা যাবে না।

তবে অনলাইন সংবাদ সংস্থা এমএসএনবিসি’র প্রতিবেদক জানিয়েছেন, তিনি বারবার পাসওয়ার্ড দেয়া ছাড়াই প্রাইভেসি সেটিংসে পরিবর্তন করতে পেরেছেন। তিনি আরো জানান, প্রাইভেসি সেটিংসে বিভিন্ন বিষয় কোনোরকম নিরাপত্তা বলয় ছাড়াই তিনি পরিবর্তন করতে পেরেছিলেন। অর্থাৎ, তার বেলায় এভাবে বারবার পাসওয়ার্ড চাওয়া হয়নি।

পরে অবশ্য তিনি জানিয়েছেন যে, প্রাইভেসি আপডেটের প্রায় আধা ঘণ্টা পর পাসওয়ার্ডের এই বাড়তি বলয়টি কার্যকরী হয়। আগে ঘোষণা দিয়ে পরে সুবিধা সক্রিয় করার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল ইনফরমেশন

ফেসবুকের পরিবর্তিত প্রাইভেসি সেটিংসে রয়েছে পাবলিকলি অ্যাভেইলেবল ইনফরমেশন, সংক্ষেপে পিএআই। এর অধীনে আপনার প্রোফাইলের ছবি, আপনি যেসব পেজের ফ্যান সেসব পেজের তালিকা, জেন্ডার, ধর্ম, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি তথ্যাদি সবার প্রতি উন্মুক্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ, চাইলেই যে কেউ আপনার সম্পর্কে এসব তথ্য সার্চ ফলাফল পাতা থেকে জানতে পারবেন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি সার্চ পাতায় নিজের প্রোফাইল উন্মুক্ত রাখছেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, এইসব তথ্য মুছে ফেলার কোনো উপায় নেই বললেই চলে। সার্চ পাতায় নিজেকে দৃশ্যমান রাখতে হলে উপরোক্ত তথ্যগুলোও প্রকাশ করতে হবে; যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রশ্নে খানিকটা অস্বস্তিকরই বটে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি এমন কোনো সামাজিক সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজের ফ্যান হয়ে থাকেন যার সম্পর্কে আপনার ফেসবুক বন্ধু বা অন্য কাউকে জানাতে চান না, তাহলে নতুন এই পদ্ধতির আওতায় তা সম্ভব নয়। কেননা, সার্চ ফলাফলে আপনি নিজেকে দৃশ্যমান রাখতে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এসব তথ্য সবার সামনে চলে আসবে, যা ফেসবুকের নতুন এই প্রাইভেসি আপডেট সমালোচিত হওয়ার অন্যতম মূল কারণ।

বিশেষ নিয়ন্ত্রণ সুবিধা

পিএআই ফেসবুক প্রাইভেসির একটি বিতর্কিত দিক হলেও ফেসবুকে আপনার অন্যান্য কর্মকান্ডের উপর আপনি পাচ্ছেন পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। এমনকি আপনি যখন প্রতিবার স্ট্যাটাস আপডেট করেন, তখনই ঠিক করে দিতে পারবেন কে কে এই পোস্ট বা স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন এবং কে কে এই পোস্ট দেখতে পারবেন না। একইভাবে আপলোড করা ছবির বেলাতেও আপনি প্রাইভেসি লেভেল নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন।

ফেসবুকের নতুন এই প্রাইভেসি সেটিংস একইসঙ্গে প্রশংসা এবং সমালোচনা দুইই কুড়াচ্ছে। কিছু কিছু আপডেট সত্যিকার অর্থেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় কার্যকর। অন্যদিকে কিছু ব্যাপার আবার মোটেই সন্তোষজনক নয়।

ফেসবুক প্রাইভেসি আপডেটে ব্যবহারকারীদের তথ্য সবার প্রতি উন্মুক্ত করে দিতে পরোক্ষভাবে আহ্বান করা হয় বলে দাবি করেছেন একাধিক প্রযুক্তিবিদ। তাদের মতে, গুগলের রিয়েল-টাইম সার্চ রেজাল্টের মাধ্যমে বাড়তি হিট পাওয়ার আশায়ই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি আপডেট করতে বলছে, যদিও সোজা-সাপ্টা ভাষায় ফেসবুক তেমন কিছু বলেনি। অন্যদিকে অনেক প্রযুক্তিবিদদের ধারণা, ফেসবুক নকল করতে চাচ্ছে টুইটারের আইডিয়া, যা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন তারা।

কিন্ডল রিডারে বই ধার দেবে অ্যামাজন

অনলাইন রিটেইলার জায়ান্ট অ্যামাজন-এর কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি তাদের কিন্ডল ই-বুকের জন্য বই ধার দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে, অ্যামাজনের কিন্ডল ই-বুক ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন লাইব্রেরির বই পড়া যাবে এ বছরের শেষ দিক থেকে। খবর রয়টার্স-এর।http://it-solution-arifur.blogspot.com/

অ্যামাজন কর্তৃপক্ষের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, কিন্ডল ব্যবহারকারীরা  ১১ হাজার লাইব্রেরি থেকে ধার করে ই-বুক পড়ার সুযোগ পাবেন।http://it-solution-arifur.blogspot.com/

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ২০০৭ সালে কিন্ডল বাজারে আনে অ্যামাজন। কিন্ডলের জন্য বেশিরভাগ ই-বুক ৯.৯৯ ডলারে বিক্রয় করে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি বার্নস অ্যান্ড নোবল এর নুক ই-বুক রিডার এবং অ্যাপলের আইপ্যাড বাজারে আসার ফলে প্রতিদ্বন্দিতার মুখে পড়েই বই পড়ার নতুন এ সুযোগ চালু করছে অ্যামাজন।

২০০৯ সালে বাজারে নামার সময় থেকেই ধার করে ই-বুক পড়তে দেবার সুযোগ রয়েছে নুক রিডারে।

বাংলা ব্লগের লিংক

ইন্টারনেট ডায়েরি লেখার ধারণা ‘ওয়েব লগ‘ থেকে ব্লগের ধারণার জন্ম। বিশ্বে প্রতিদিন বাড়ছে ব্লগের সংখ্যা। ব্লগে লেখার মাধ্যমে নিজের চিন্তা এবং লেখনীকে তুলে ধরা যায়। অনলাইনে লেখালেখির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ধরা হয় ব্লগকে। ‘ব্লগ’ শব্দটি এসেছে ইংরেজি ‘ওয়েবলগ’ শব্দটি থেকে। http://it-solution-arifur.blogspot.com/

‘ওয়েবলগ’ শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর। শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক জন বার্জার। এর ঠিক দু’বছর পর ১৯৯৯ সালের এপ্রিল এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মহোলজ নামে এক ব্যাক্তি ওয়েবলগ শব্দটিকে ভেঙ্গে দু’ভাগ করেন- ‘উই’ এবং ‘ব্লগ’ হিসেবে। এর পরই সারাবিশ্বব্যাপী ব্লগ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। তবে মাঝামাঝি সময়ে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে। অনলাইনে দিনলিপি লেখার সুবিধা নিয়ে যাত্রা শুরু করে ‘ওপেন ডায়েরি’ যা ছিলো অনেকটা এখনকার ব্লগের মতোই।http://it-solution-arifur.blogspot.com/

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম নিজস্বভাবেই ব্লগ নিয়ে এসেছে। ব্লগে এখন অনেক রথী-মহারথীরাও লিখছেন। ব্লগের মাধ্যমে সার্চ জায়ান্ট গুগল থেকে শুরু করে প্রযুক্তিবিশ্বের অনেক তথ্যই জানিয়ে দেয়া হয়। 

ব্যক্তিগত চিন্তা-চেতনার পাশে ব্লগ হয়ে ওঠছে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকাতেও। ইন্টারনেট সংযোগ এবং মনের ভাষা প্রকাশের ইচ্ছা থাকলেই ব্লগ লেখা যায়। ইংরেজি ব্লগের পাশাপাশি বাংলায়ও ব্লগ লেখা শুরু হয়েছে।

বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম সম্প্রতি একটি সিটিজেন জার্নালিজমভিত্তিক ব্লগ চালু করেছে। এই ব্লগের মাধ্যমেই সিটিজেন জার্নালিজমভিত্তিক বিভিন্ন ব্লগ লেখা যাবে। ব্লগটির ঠিকানা:blog.bdnews24.com

বাংলা ভাষায় বর্তমানে প্রচলিত ব্লগগুলো মুলত কমিউনিটি ব্লগ। প্রতিটি ব্লগেই রেজিস্ট্রেশন করে কয়েকটি ধাপ পেরোতে হয়। তারপর নিয়ম-নীতি মেনে লেখা যায়। এমন কয়েকটি কমিউনিটি ব্লগের ঠিকানা-
http://it-solution-arifur.blogspot.com/
সামহয়্যারইন ব্লগ    http://www.somewhereinblog.net)
সচলায়তন    http://www.sachalayatan.com/)
ক্যাডেটকলেজ ব্লগ    http://www.cadetcollegeblog.com/)
আমার ব্লগ    http://www.amarblog.com/)
চতুর্মাত্রিক’    http://www.choturmatrik.com/)
নাগরিক ব্লগ    http://www.nagorikblog.com/)
বিবর্তন বাংলা    http://bn.biborton.com/)
মুক্তমনা বাংলা ব্লগ    http://mukto-mona.com/banga_blog/)/
http://it-solution-arifur.blogspot.com/

বুধবার, ২ মার্চ, ২০১১

ফোল্ডার বা ড্রাইভকে লক করুন কোন সফট ছাড়াই......

আমরা অনেকেই নিরাপত্তার জন্য কত কিনা করি।আর যদি সফট ছাড়াই নিরাপত্তা দেয়া যায় তাহলে কেমন হয় ।বিষয়টি বেশ মজার ।

এবার কাজের কথায় আসি।প্রথমে আমাদের সব ড্রাইভকে এন টি এফ এস করতে হবে। সাধারনত অনেকের ড্রাইভ ফ্যাট ৩২ তে থাকে ।আপনারা জানেন যে ফ্যাট ৩২’র থেকে এন টি এফ এস এ ডাটা বেশি সুরক্ষিত থাকে। যারা ফ্যাট ৩২ ব্যবহার করেন তারা হিডেন ফাইল সো করে তারপর
(1)Hide extensions ও(2)Hide protected থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Apply এবং ok করুন ।

এবার সিষ্টেম ইনফরমেশনে প্রবেশ করুন ।দেখবেন সহজেই ঢুকতে পারছেন। কিন্তু যদি আপনি এন টি এফ এস ব্যবহার করতেন তাহলে ঢুকতে পারতেন না ।অনেক ভাইরাস সিষ্টেম ইনফরমেশনকেই নিরাপদ স্থান মনে করে । আপনি এই কাজটি পার্টিসন ম্যাজিক সফটওয়ার দিয়ে করতে পারেন ।অথবা নিচের পদ্ধতিটি দেখতে পারেন ।
ধরি আপনার পেন ড্রাইভ k,তাহলে প্রথমে একটি নোট প্যাড ওপেন করি এবং তাতে convert k: /FS:NTFS লিখে k.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।দেখবেন পেন ড্রাইভের কোন ডাটা মুছেনি শুধু ফ্যাট ৩২ থেকে এন টি এফ এস হয়ে গেছে।এভাবে আপনার অন্যান্য ড্রাইভ গুলোকে পরিবর্তন করে নিন।

convert c: /FS:NTFS লিখে c.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।
convert d: /FS:NTFS লিখে d.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।
convert e: /FS:NTFS লিখে e.bat নামে সেভ করি।মনে রাখবেন save as type হবে all files।

আমাদের কাজ প্রায় শেষের দিকে।এবার NTFS কৃত ড্রাইভের উপর রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ যান দেখবেন সিকিউরিটি বলে কোন ট্যাব নাই।
সিকিউরিটি ট্যাব আনতে আমাদের যা করতে হবে।folder options থেকে view tabএ যান এবংuse simple file sharing থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Apply এবং ok করুন । এবার NTFS কৃত ড্রাইভের উপর রাইট ক্লিক করে প্রোপার্টিজ এ যান দেখবেন সিকিউরিটি ট্যাব আছে। এবার যে ড্রাইব বা ফোল্ডার লক করবেন তার প্রোপার্টিজ এ যান এবং সিকিউরিটি ট্যাবে ক্লিক করুন দেখবেন Allow এবং Deny লেখা দেখতে পাবেন। এবার Allow থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Deny তে টিক চিহ্ন দিন ব্যাস কাজ শেষ। এবার দেখুন সেই ড্রাইব বা ফোল্ডারটি লক হয়ে গেছে। যাতে অন্যরা সিকিউরিটি ট্যাব না পায় সে জন্য folder options থেকে view tab এ যান এবং use simple file sharing এ টিক চিহ্ন দিয়ে Apply এবং ok করুন।কোন ফোল্ডার কে যখন লক করতে চাইবেন আপনারা দেখবেন Allow এর সব বক্সে টিক চিহ্ন আছে শুধু special permissions বক্সে টিক চিহ্ন নাই । মোট কথা যা আছে তাই থাক ।তবে আমি বলবো লক করার জন্য শুধু মাত্র Deny এর Read বক্সে টিক চিহ্ন দিন ।এবার Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন। ফোল্ডারটি লক হয়ে যাবে । আবার যখন আনলক করবেন তখন Deny এর Read বক্স থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিন ।এবার Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন। আর ড্রাইভ লক করার জন্য Allow থেকে সব টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Deny তে সব টিক চিহ্ন দিন Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন ব্যাস কাজ শেষ।আর আনলক করার সময় Deny থেকে সব টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Allow তে সব টিক চিহ্ন দিন Apply তে ক্লিক করুন yes করুন তারপর ok করুন।
বি:দ্র: Group or user names: যা আছে তাই থাক না বুঝে কিছু করবেন না ।

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১১

কোন কারণ বশতঃ যদি আপনার ব্যবহার করা উইন্ডোজের ফাইল নষ্ট হয়ে যায় তখন?

আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ ব্যবহারকারীই উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করে। আর উইন্ডোজ ইনস্টল করার ফলে উইন্ডোজের বিভিন্ন ফাইল সমূহ ইনস্টল হয়। এই ফাইল গুলো (যেমনঃ .sys, .dll) যদি কোন কারণ বশতঃ মুছে যায় তখন কী করবেন? এক্ষেত্রে আপনাকে বেশ বিপাকে পড়তে হয়, তখন আপনাকে উইন্ডোজ ইন্সটল বা রিপেয়ার করতে হয় এছাড়া আপনার কোন পথ নেই। ফাইল মুছে গেলে কম্পিউটার আর চালু হয় না, কালো পর্দার উপরে This file is missing এধরনে লেখা এবং মিসিং ফাইলের পাথ দেখা যায়।

যাক এখন আসি মিসিং ফাইলকে নিয়ে কি করা যায়? আপনার কাছে যদি উইন্ডোজ এক্সপির লাইভ সিডি থাকে তাহলে কোন চিন্তাই নেই। এবার আসেন কাজে… প্রথমে লাইভ সিডিটি সিডি রমে প্রবেশ করিয়ে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন এবং লাইভ সিডি দিয়ে কম্পিউটার বুট করান। এবার সিডির I386 ফোল্ডারে যান ও মিসিং ফাইলটি কপি করে C:\Windows (যদি আপনার কম্পিউটারে উইন্ডোজ ফোল্ডারে থাকে) ফোল্ডারে পেষ্ট করুন। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন ও সিডি খুলে ফেলুন। দেখুন কম্পিউটার আগের মতো ওপেন হচ্ছে

উইন্ডোজ এক্সপিতে পাসওয়ার্ড দিন কঠিনভাবে

অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আমরা সাধারণত উইন্ডোজই বেশি ব্যবহার করি। কম্পিউটারে যাতে অন্য ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য আমরা পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি। উইন্ডোজ এক্সপিতে আমরা সাধারণত ইউজার পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি। এই ইউজার একাউন্টে যে পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকি তা অত্যান্ত সহজেই ভাঙা যায়। তাই এই পাসওয়ার্ড আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। অন্য দিকে বায়োসে পাসওয়ার্ড দিলে তাও ভাঙা যায়। ফলে এটিও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না। তাই এর থেকেও আরও কঠিন পাসওয়ার্ড দেয়া উচিত। এর জন্য উইন্ডোজ আপনাদের জন্য দিয়েছে আরো নিরাপত্তা পাসওয়ার্ড যা লগঅন স্ক্রিনে আসার আগেই সেট করা থাকে। যাক এবার কাজে আসি….

লগঅনের পূর্বে পাসওয়ার্ড দিতে

১. স্টার্ট মেনু থেকে রানে যান (Start >>>Run)।

২. রানে লিখুন syskey এবং এন্টার দিন।

৩. তাহলে Security the Windows Account Database নামে একটি ডায়লগ বক্স আপনার সামনে আসবে।

৪. এখানে Encryption Enabled নির্বাচিত রেখে Update ক্লিক করুন।

৫. তাহলে Startup key নামে আরেকটি ডায়লগ বক্স আসবে।

৬. এবার Password Startup নির্বাচন করুন।

৭. Password বক্সে পাসওয়ার্ড এবং Confirm বক্সে আবার পাসওয়ার্ড লিখুন।

৮. এবার OK করুন, তাহলে আপনাকে নিশ্চতকরণ বার্তা দিবে।

এখানে আপনি যে পাসওয়ার্ড দিয়েছেন তা অবশ্যই মনে রাখবেন। এখন থেকে কম্পিউটার চালু করলেই স্টার্টআপ পাসওয়ার্ড বক্স আসবে। উক্ত বক্সে আপনার পাসওয়ার্ডটি টাইপ করে এন্টার দিন। তাহলেই লগঅন স্কিন আসবে। নতুবা আপনি লগঅন স্ক্রিণের দেখা পাবেন না। যা মোটেই আপনার জন্য সুখকর নয়। যাক এই পাসওয়ার্ড সহজে ভাঙা যায় না।